আলোক তড়িৎ ক্রিয়া কোন তত্ত্বকে সমর্থন করে?
-
ক
ওয়েট
-
খ
করপাস্কুলার
-
গ
কোয়ান্টাম
-
ঘ
ইলেকট্রোম্যাগনেটিক
আলোক তড়িৎ ক্রিয়া কোয়ান্টাম তত্ত্বকে সমর্থন করে।
কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে, আলো হল শক্তির একক কণা বা ফোটন। এই ফোটনগুলোর নির্দিষ্ট শক্তি থাকে। আলোক তড়িৎ ক্রিয়ায়, যখন একটি ফোটন একটি ধাতুতে আঘাত করে, তখন সেই ফোটনের শক্তি সেই ধাতুর একটি ইলেকট্রনকে মুক্ত করে। এই ইলেকট্রনকে আলোক-ইলেকট্রন বলা হয়।
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ায়, আলোর তীব্রতা নির্গত আলোক-ইলেকট্রনের সংখ্যাকে প্রভাবিত করে, কিন্তু আলোর কম্পাঙ্ক নির্গত আলোক-ইলেকট্রনের গতিশক্তিকে প্রভাবিত করে।
আলোক তড়িৎ ক্রিয়ায় এই পর্যবেক্ষণগুলো কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে একমত। কোয়ান্টাম তত্ত্ব অনুসারে, ফোটনের শক্তি তার কম্পাঙ্কের উপর নির্ভর করে। তাই, আলোর কম্পাঙ্ক বেশি হলে ফোটনের শক্তিও বেশি হবে। ফলে, নির্গত আলোক-ইলেকট্রনের গতিশক্তিও বেশি হবে।
অন্যদিকে, আলোর তীব্রতা হল আলোর ফোটন সংখ্যার পরিমাপ। তাই, আলোর তীব্রতা বেশি হলে নির্গত আলোক-ইলেকট্রনের সংখ্যাও বেশি হবে।
সুতরাং, আলোক তড়িৎ ক্রিয়া কোয়ান্টাম তত্ত্বের সাথে একমত। তাই, আলোক তড়িৎ ক্রিয়া কোয়ান্টাম তত্ত্বকে সমর্থন করে।
ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে বিজ্ঞানীরা বিশ্বাস করতেন যে, পদার্থবিজ্ঞান সম্পর্কে যা জানা দরকার তার অধিকাংশই তারা জেনে ফেলেছেন। নিউটনের গতিসূত্র ও তাঁর বিশ্বজনীন মহাকর্ষ সূত্র, তড়িৎ বিজ্ঞান ও চৌম্বক বিজ্ঞানকে একত্রিত করে ম্যাক্সওয়েলের তাত্ত্বিক কাজ এবং তাপগতিবিদ্যার সূত্র এবং গতি তত্ত্ব অনেক বৈচিত্র্যময় প্রতিভাসের ব্যাখ্যায় সফলতা লাভ করেছে। বিংশ শতাব্দীর সূচনা লগ্নে দুটি তত্ত্ব পদার্থবিজ্ঞানের জগৎকে কাঁপিয়ে দেয়। এগুলো হলো ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক প্রদত্ত কোয়ান্টাম তত্ত্ব এবং ১৯০৫ সালে বিজ্ঞানী অ্যালবার্ট আইনস্টাইন প্রদত্ত আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব। দুটি ধারণাই প্রকৃতি সম্পর্কে আমাদের উপলব্ধিতে সুগভীর প্রভাব ফেলেছে। কয়েক দশকের সাধনায় এই তত্ত্বগুলো পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান এবং ঘনীভূত পদার্থের পদার্থবিজ্ঞানের উন্নয়ন, বিকাশ ও তত্ত্বকে প্রেরণা জোগায়।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা তাই ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্বের আবিষ্কারের মাধ্যমে। এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন। আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের জগতে আরেকটি বিপ্লব আনেন অ্যালবার্ট আইনস্টাইন তাঁর আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব ও আলোর কোয়ান্টাম তত্ত্ব প্রবর্তনের মাধ্যমে।
আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো কোয়ান্টাম পদার্থবিজ্ঞান, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান, পরিসাংখ্যিক (Statistical) বলবিজ্ঞান, কঠিনাবস্থার পদার্থবিজ্ঞান (Solid state physics) প্রভৃতি।
Related Question
View All-
ক
0.968c
-
খ
c
-
গ
4c
-
ঘ
0.900c
-
ক
0
-
খ
-
গ
-
ঘ
Ec
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
-
খ
-
গ
-
ঘ
-
ক
1.67 গুণ
-
খ
1.25 গুণ
-
গ
0.80 গুণ
-
ঘ
0.36 গুণ
-
ক
নিবৃত্তি বিভব
-
খ
প্লাংকের ধ্রুবক
-
গ
কার্যাপেক্ষক
-
ঘ
তরঙ্গদৈর্ঘ্য
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন
